বাংলাদেশে তৈরি, বাংলাদেশের ব্যবসার জন্য
পুরো ব্যবসা এক জায়গা থেকে চালান
পয়েন্ট অব সেল, স্টক, বিক্রি, ক্রয়, সার্ভিস সেন্টার আর সত্যিকারের ডাবল-এন্ট্রি হিসাব — একটাই সিস্টেম, মাসে ৳৪৯৯ থেকে। সাইন আপের মিনিট থেকেই বেচাকেনা শুরু।
- কার্ড লাগবে না
- সেটআপ ফি নেই
- যেকোনো মাসে বন্ধ
একটা এন্ট্রি, যেখানে যেখানে দরকার সব জায়গায়
একটা ব্যবসা বেছে দেখুন একই সিস্টেম তার জন্য কী করে।
আপনার কর্মী যা লেখেন
রহিম স্টোর — ১২,৫০০ বাকি, ২টা মনিটর
কাউন্টারে একবার টাইপ করা এক লাইন
সবার ERP নিজে থেকে যা বসায়
| ইনভয়েস INV-0042 রহিম স্টোর | ১২,৫০০.০০ তৈরি |
| প্রাপ্য হিসাব ডেবিট | ১২,৫০০.০০ ডেঃ |
| বিক্রয় আয় ক্রেডিট | ১২,৫০০.০০ ক্রেঃ |
| স্টক — মিরপুর আউটলেট মনিটর ২২" ×২ | −২ পিস ইস্যু |
| বিক্রীত পণ্যের ব্যয় ডেবিট | ৯,৮০০.০০ ডেঃ |
হিসাব মিলে গেছে. প্রতিটা এন্ট্রি ডাবল-এন্ট্রি। না মিললে সেভ হয় না, এরর দেয়।
সব প্ল্যানে ৩০ দিন ফ্রি · ৳৪৯৯ থেকে
প্রথম দিনেই যা পাবেন
ভালো জিনিস কেটে রাখা কোনো ট্রায়াল ভার্সন নয়। পুরো সিস্টেম, ত্রিশ দিন, ফ্রি।
- ১০
- মডিউল
- ১০৮
- স্ক্রিন
- ১১৯
- পারমিশন
- ৳০
- শুরু করতে
POS থেকে ডাবল-এন্ট্রি হিসাব
প্রতিটা বানানো, পরিকল্পনায় নেই
ক্যাশিয়ার যেন আপনার লাভ না দেখে
সেটআপ ফি কোনোদিনই নেই
ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটার, মোবাইল ও অ্যাকসেসরিজ, ফার্মেসি ও মেডিকেল, মুদি ও ডিপার্টমেন্টাল, হার্ডওয়্যার, স্যানিটারি ও টাইলস, কাপড়, টেইলার্স ও বুটিক, পাইকারি ও ডিস্ট্রিবিউশন, ফার্নিচার ও ইন্টেরিয়র, অটো পার্টস ও ওয়ার্কশপ, কৃষি, ফিড ও বীজ ডিলার, রেস্টুরেন্ট ও বেকারি, জুয়েলারি, প্রেস ও প্যাকেজিং, সার্ভিস ও রিপেয়ার সেন্টার
যে পাঁচটা জিনিসের টাকা আমরা কোনোদিন নেব না
-
সেটআপ ফি নেই
অন্যরা শুরুই করে তিন লাখ টাকার ইমপ্লিমেন্টেশন কোটেশন দিয়ে। আপনি রেজিস্ট্রেশন পাতায় থাকতে থাকতেই আমরা আপনার অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলি — চার্ট অব অ্যাকাউন্টস, ব্রাঞ্চ, গুদাম, রোল আর আপনার ওনার লগইন তৈরি হয়ে যায়।
-
লুকানো খরচ নেই
দামের পাতায় যে দাম, বিলেও সেই দাম। যা কিছুর আলাদা খরচ আছে — ডেটা এক্সপোর্ট, কাস্টম ডেভেলপমেন্ট, SMS — সব ওই পাতায় লেখা আছে, টাকা দেওয়ার আগেই।
-
যতদিন ব্যবহার, ততদিনের টাকা
মাসে মাসে। টাকা দেওয়া বন্ধ করলে আমরা স্ক্রিন বন্ধ করি, ডেটা নয়। আবার টাকা দিলে সবকিছু ঠিক যেখানে রেখেছিলেন সেখানেই — কিছুই মোছা হয় না।
-
ডেটা আপনারই থাকে
আপনার কোম্পানি ডেটাবেস লেভেলে আলাদা করা — কেউ ভুলে যেতে পারে এমন কোনো ফিল্টার দিয়ে নয়। যখন খুশি পুরো ডেটার কপি নিয়ে যেতে পারবেন।
-
সস্তা ফোনেও চলে
মালিকের ড্যাশবোর্ড আগে ফোনের জন্য বানানো, পরে ডেস্কটপের জন্য। বগুড়ায় থ্রিজি নেটওয়ার্কে ৳৮,০০০ টাকার অ্যান্ড্রয়েডেও খোলে — কারণ এই ব্যবসাগুলো আসলে ওখান থেকেই চলে।
-
ডিজিটাল হোন এই সপ্তাহেই, আগামী বছর নয়
দুই মিনিটের কাজ।
হিসাবটা নিজেই করে দেখুন
এক সিস্টেম, দশ মডিউল
যেটা দরকার সেটাই চালু রাখুন। বন্ধ করা মডিউল একেবারে উধাও হয়ে যায় — সাইডবার থেকে, পারমিশন তালিকা থেকে, এমনকি আপনার নিজের ওনার অ্যাকাউন্টের নাগালের বাইরে।
- ড্যাশবোর্ড সব প্ল্যানে পুরো দোকান এক স্ক্রিনে, ফোনের জন্য বানানো।
- পয়েন্ট অব সেল ক্যাশ মেশিন — খোলে, বেচে, হিসাব মিলিয়ে বন্ধ হয়।
- বিক্রি ও কাস্টমার কোটেশন থেকে ইনভয়েস থেকে চালান, বাকি সাথে সাথে চলে।
- ক্রয় ও সাপ্লায়ার চাহিদা, অনুমোদন, অর্ডার, মাল বুঝে নেওয়া, টাকা দেওয়া।
- ইনভেন্টরি সিরিয়াল নম্বর, একাধিক গুদাম, সত্যিকারের গড় খরচ।
- সার্ভিস সেন্টার জব কার্ড, ওয়ার্কশপ বোর্ড, ওয়ারেন্টি আর RMA।
- হিসাবরক্ষণ ডাবল-এন্ট্রি, নিজে থেকেই বসে, না মেলা অসম্ভব।
- রিপোর্ট যে সংখ্যাগুলো নিয়ে তর্ক হয়, এক উৎস থেকে।
- ফাইল ম্যানেজার প্রতিটা আপলোডের পেছনে একটাই লাইব্রেরি।
- প্রশাসন সব প্ল্যানে রোল, ব্রাঞ্চ, কাউন্টার, নীতি — সব আপনার হাতে।
হিসাবটা নিজেই করে দেখুন
অন্য দুটোর সংখ্যা ব্যবসায়ীরা আমাদের যেসব কোটেশনের কথা বলেন সেখান থেকে নেওয়া। আপনি যে কোটেশন পেয়েছেন সেটা বসান — চার্ট সাথে সাথে বদলে যাবে।
দুই বছরের সফটওয়্যার খরচ, পাশাপাশি
আপনার থাকবে —
দুই বছরে, অন্য দুটোর সস্তাটার তুলনায়
পুরো হিসাব এক জায়গায়
প্রতিটা বিক্রি, কেনা, পেমেন্ট, রিটার্ন, ক্ষতি আর মেরামতের পার্টস একটাই দরজা দিয়ে যায় আর মিলে যাওয়া জার্নাল এন্ট্রি হয়ে বেরোয়। এজন্যই আপনার ট্রায়াল ব্যালেন্স, লাভ-ক্ষতি আর ব্যালেন্স শিট কোনোদিন একে অন্যের সাথে অমিল হতে পারে না।
- প্রাপ্য হিসাব সব কাস্টমার স্টেটমেন্টের যোগফলের সমান। প্রতিটা রিলিজে টেস্ট মিলিয়ে দেখে।
- দেনা সব সাপ্লায়ার স্টেটমেন্টের যোগফলের সমান।
- লেজারের স্টক গুদামের তাকের মালের দামের সমান।
- কোনো ডকুমেন্ট বাতিল করলে উল্টো এন্ট্রি বসে। কিছুই মোছা হয় না, তাই অডিট ট্রেইল অক্ষত থাকে।
- ১
ক্যাশ মেশিন
ক্যাশিয়ার দুইটা মনিটর স্ক্যান করে ৳৫,০০০ নগদ নিল
- ২
স্টক
মিরপুর গুদাম থেকে দুই পিস গড় খরচে বেরিয়ে গেল
- ৩
কাস্টমার
রহিম স্টোরের ৳৭,৫০০ বাকি, তাদের SR-এর নামে লেখা হলো
- ৪
লেজার
ক্যাশ, প্রাপ্য, আয়, স্টক আর বিক্রয় ব্যয় — পাঁচটাই বসল
- ৫
রিপোর্ট
ট্রায়াল ব্যালেন্স, লাভ-ক্ষতি আর স্টক মূল্যায়ন এর মধ্যেই মিলে গেছে
ক্যাশ মেশিনে এক চাপে পাঁচটা এন্ট্রি। আপনি একটাও বসান না — আর ভুলও করতে পারেন না।
আপনি যা-ই বেচেন, তার জন্যই
নিচে লেজার একই, উপরে চেহারা আলাদা। এই ব্যবসাগুলো এখনই এতে চলছে বা চালানোর জন্য সাজানো আছে।
- ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটার সিরিয়াল ট্র্যাকিং, ওয়ারেন্টি, নিজস্ব সার্ভিসিং এলিফ্যান্ট রোড, IDB, মাল্টিপ্ল্যান
- মোবাইল ও অ্যাকসেসরিজ প্রতিটা সেটের IMEI, ওয়ারেন্টি, এক্সচেঞ্জ মোতালিব প্লাজা, বসুন্ধরা সিটি
- ফার্মেসি ও মেডিকেল হাজার হাজার আইটেম, দ্রুত কাউন্টার, র্যাক নম্বর দেশের প্রতিটা পাড়ায়
- মুদি ও ডিপার্টমেন্টাল বারকোড ক্যাশ মেশিন, কম লাভ, বেশি বিক্রি মিরপুর থেকে চট্টগ্রাম
- হার্ডওয়্যার, স্যানিটারি ও টাইলস বড় অঙ্কের বাকি, সাপ্লায়ারের দেনা নবাবপুর, ঢোলাইখাল
- কাপড়, টেইলার্স ও বুটিক প্রতিটা আইটেমে সাইজ ও গ্রেড, মৌসুমি স্টক ইসলামপুর, নিউ মার্কেট
- পাইকারি ও ডিস্ট্রিবিউশন SR, কালেকশন, রুট ধরে বাকি মৌলভীবাজার, খাতুনগঞ্জ
- ফার্নিচার ও ইন্টেরিয়র অর্ডারে তৈরি, আংশিক পেমেন্ট, চালান পান্থপথ, আগ্রাবাদ
- অটো পার্টস ও ওয়ার্কশপ স্টক থেকে সরাসরি জব কার্ডে পার্টস ঢোলাইখাল, বাংলা মোটর
- কৃষি, ফিড ও বীজ ডিলার মৌসুমি বাকি, কৃষকের দেনা, অনেক ছোট বিল বগুড়া, যশোর, রংপুর
- রেস্টুরেন্ট ও বেকারি কাউন্টার বিক্রি, দৈনিক ক্যাশ মেলানো সব জায়গায়
- জুয়েলারি পিস ধরে সিরিয়াল, ওজন ও ক্যারেট, বড় দাম তাঁতী বাজার, বায়তুল মোকাররম
- প্রেস ও প্যাকেজিং কোটেশন থেকে জব থেকে বিল, কাঁচামালের খরচ ফকিরাপুল, আরামবাগ
- সার্ভিস ও রিপেয়ার সেন্টার ওয়ার্কশপ বোর্ড, RMA, ওয়ারেন্টি ক্লেইম প্রতিটা জেলা শহরে
এক দাম, চৌষট্টি জেলা
ঢাকার জন্য এক দাম আর জেলার জন্য আরেক দাম — এমন কিছু নেই। ঠাকুরগাঁওয়ের হার্ডওয়্যার দোকান যা দেয়, গুলশানের শোরুমও তাই দেয়; একই দশটি মডিউল, একই সাপোর্টের সময়। আপনার জেলা বেছে নিন।
কোথায় কোথায় ৬৪ জেলা · ৮ বিভাগ · এক দাম
মানুষ আসলে যা জিজ্ঞেস করে
আপনারটা না থাকলে জিজ্ঞেস করুন — এক কর্মদিবসের মধ্যে উত্তর দিই।
সবার ERP-এর আসল খরচ কত?
মাসে ৳৪৯৯, ৳৯৯৯ বা ৳১,৯৯৯। প্রতিটা প্ল্যানের সাথে একটা বরাদ্দ আসে — ব্রাঞ্চ, গুদাম, POS কাউন্টার, স্টাফ অ্যাকাউন্ট, পণ্য আর ফাইল স্টোরেজ। কোনো একটা বেশি লাগলে উপরের প্ল্যানে যেতে হয় না, ওই প্ল্যানের ঘোষিত রেটে একটা একটা করে যোগ করবেন। Starter-এ একটা বাড়তি ক্যাশ মেশিন মাসে ৳১০০, Growth-এ একজন বাড়তি স্টাফ ৳৮০। সেটআপ ফি নেই, ইমপ্লিমেন্টেশন চার্জ নেই, বছরের চুক্তিও নেই। এর বাইরে টাকা লাগে শুধু — নিয়মিত পুরো ডেটা এক্সপোর্ট (৳১,০০০), কাস্টম ডেভেলপমেন্ট (কাজ শুরুর আগেই কোটেশন), আর হার্ডওয়্যার বা SMS ক্রেডিট যা দামে কিনি সেই দামে।
সত্যিই কোনো সেটআপ ফি নেই?
একদমই না। রেজিস্টার করার সাথে সাথে সিস্টেম নিজেই আপনার চার্ট অব অ্যাকাউন্টস, প্রথম ব্রাঞ্চ, প্রথম গুদাম, আটটা কর্মীর রোল আর আপনার ওনার লগইন বানিয়ে ফেলে। দুই মিনিটের মধ্যে বেচাকেনা শুরু। কাউকে দোকানে যেতে হয় না, কোনো ইমপ্লিমেন্টেশন প্রজেক্টও লাগে না।
ফ্রি ট্রায়ালে কী পাব?
ত্রিশ দিন পুরো প্রোডাক্ট — সব মডিউল চালু, কোনো ফিচার কাটা নেই, কত ডেটা তুলবেন তারও সীমা নেই। কার্ড চাই না। ত্রিশ দিন শেষে হয় টাকা দেবেন, নয় দেবেন না; না দিলেও আপনার ডেটা যেখানে আছে সেখানেই থাকে।
টাকা কীভাবে দেব? বিকাশ নেন?
বিকাশ, নগদ, ব্যাংক ট্রান্সফার, চেক বা ক্যাশ। টাকা পাঠিয়ে রেফারেন্সটা জানালেই হলো — আপনার চলতি মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন থেকে সময় যোগ হয়। এক সপ্তাহ আগে টাকা দিলে এক সপ্তাহ নষ্ট হয় না।
টাকা দেওয়া বন্ধ করলে কী হবে?
আপনার কর্মীরা সাইন ইন করতে পারবে, কিন্তু ERP-এর স্ক্রিনগুলো একটা বিলিং নোটিশে নিয়ে যাবে — কত বাকি, কীভাবে দেবেন আর আগের সব পেমেন্ট সেখানে দেখা যাবে। কিছুই মোছা হয় না, কোথাও সরিয়েও রাখা হয় না। টাকা দিলেই সব আগের মতো — আধা-লেখা কোটেশনটা পর্যন্ত যেখানে ছিল সেখানেই।
অন্য কোম্পানি কি আমার ডেটা দেখতে পারে?
না। প্রতিটা রেকর্ডে আপনার কোম্পানির আইডি থাকে আর প্রতিটা কোয়েরিতে সেটা নিজে থেকেই বসে যায় — URL থেকে রেকর্ড বের করার আগেই। ঠিকানার ঘরে অন্য কোম্পানির ইনভয়েস নম্বর লিখলে কিছুই আসে না। প্রতিটা রিলিজে একটা অটোমেটেড টেস্ট ঠিক এই হামলাটাই চালায়, আর আরেকটা টেস্ট নতুন কোনো টেবিলে সুরক্ষা না থাকলে বিল্ড ফেল করিয়ে দেয়।
নিরাপত্তা পরে জোড়া দেওয়া নয়, ভেতরেই বানানো
ERP-তে থাকে আপনার কেনা দাম, লাভের হার, কাস্টমারের বাকি আর কর্মচারীর বেতন। আমরা সেটা সেভাবেই দেখি।
যা দরকার সেটা এখানে নেই?
বলুন। জিনিসটা যদি প্রোডাক্টে থাকার মতো হয়, আমরা বানাই আর সব ব্যবসা সেটা পায় — সাধারণত দাম না বাড়িয়েই। শুধু আপনার জন্য হলে, কাজ শুরুর আগেই পরিষ্কার করে দাম বলে দিই।
ডিজিটাল হোন এই সপ্তাহেই, আগামী বছর নয়
ত্রিশ দিন ফ্রি। কার্ড লাগবে না, সেটআপ ফি নেই, দোকানে কোনো সেলসম্যান আসবে না। পছন্দ না হলে বন্ধ করে দিন — এক টাকাও খরচ হবে না।
দুই মিনিটের কাজ।
ক্লিক করার পরে যা হবে
- কোম্পানি খুলুন নাম, ব্যবসার ধরন, ফোন নম্বর। কার্ড লাগবে না।
- পণ্য যোগ করুন আপনার পণ্য আর শুরুর স্টক নিজে টাইপ করে নিন, নিজের সময়মতো।
- ক্যাশ কাউন্টার চালু প্রথম বিক্রি হওয়ামাত্রই তা খাতায় পোস্ট হয়ে যাবে।